অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনা: কার্যকরী পরিকল্পনা তৈরি

গত আলোচনায় আমরা জেনেছি অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনা কী এবং কেন? এখন আমাদের করণীয় হলো - কার্যকর পরিকল্পনা নিয়ে কাজ শুরু করা। এ আলোচনায় আমরা কার্যকর পরিকল্পনার সকল বিস্তারিত বিষয়াদি জানবো।
পরিকল্পনা একটি কাঠামোগত প্রক্রিয়া, যা বড় লক্ষ্য থেকে ধাপে ধাপে ছোট লক্ষ্যগুলোতে ভাগ করা হয়। এর মাধ্যমে আপনার পুরো কার্যক্রম একটি সুনির্দিষ্ট ছকে বাঁধা থাকে।
পরিকল্পনার স্তর:
১. বাৎসরিক পরিকল্পনা: প্রথমে পুরো বছরের জন্য কিছু বড় লক্ষ্য স্থির করুন।
২. ষাণ্মাসিক পরিকল্পনা: বাৎসরিক পরিকল্পনাকে ছয় মাসের ছোট ছোট ধাপে ভাগ করুন।
৩. ত্রৈমাসিক পরিকল্পনা: এরপর ছয় মাসের পরিকল্পনাকে তিন মাসের লক্ষ্যে সাজিয়ে নিন।
৪. মাসিক পরিকল্পনা: প্রতি মাসের জন্য নির্দিষ্ট কাজের তালিকা তৈরি করুন।
৫. সাপ্তাহিক পরিকল্পনা: প্রতি সপ্তাহের কাজকে দৈনন্দিন কাজের ভিত্তিতে সাজিয়ে নিন।

পরিকল্পনা তৈরির সময় নিম্নলিখিত বিষয়গুলো মাথায় রাখুন:
- কতগুলো ক্যাম্পেইন করা হবে, কখন ও কীসের ওপর ভিত্তি করে?
- কতজন ডোনার তৈরি করা হবে এবং কী পরিমাণ তহবিল সংগ্রহ করা হবে?
- কতজন নতুন সদস্য সংগ্রহ করা হবে এবং কতজনের ওপর ওয়ান-টু-ওয়ান দাওয়াহ করা হবে?
- কতজন সদস্যকে অ্যাক্টিভিস্ট বা ক্যাডার হিসেবে গড়ে তোলা হবে?
- নতুন ইউনিট খোলার পরিকল্পনা কী?
একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা:
বিস্তারিত পরিকল্পনা করতে গিয়ে যেন কাজের শুরুতেই কোনো বাধা সৃষ্টি না হয়,দীর্ঘসূত্রিতা তৈরি না হয়। বরং, কিছু প্রাথমিক পরিকল্পনা করে ছোট করে কাজ শুরু করুন। কাজের একটি গতি তৈরি হলে, তখন আরও বিস্তারিত ও সুসংগঠিত পরিকল্পনা তৈরি করে ফেলুন।
_
পরিশিষ্ট -১ এ পরিকল্পনার নমুনা যুক্ত করা হয়েছে।
পরিকল্পনাকে বাস্তবে রূপ দিতে হলে প্রয়োজন একদল নিবেদিতপ্রাণ সদস্য। পরবর্তী অংশে আমরা কীভাবে সদস্যদের ম্যানেজ করতে হয়, তা নিয়ে আলোচনা করব।
return (
return (
return (
return (
return (
return (
return (
return (
return (
return (
return (
return (
return (
return (
return (
return (
return (